Thursday, November 22, 2018

Passport Creation (পাসপোর্ট তৈরী )

নিজের পাসপোর্ট নিজেই  করতে চান?????
নিজের পাসপোর্ট (Passport) থাকা জরুরী। ব্যবসা, চাকরি, ভ্রমণ, লেখাপড়া যে কারণেই হোক না কেন প্রতিদিনের অনেক প্রয়োজনীয় কাজকর্মে ব্যবহার হয় এ পাসপোর্ট। কীভাবে অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করবেন কোন ঝমেলা ছাড়া সেই ধাপ গুলা আজকে আলোচনা করবো। বর্তমানে অনলাইনে পাসপোর্ট ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না । পরে নিধারিত সময়ে পাসপোর্ট অফিসে সরাসরি গিয়ে ছবি তোলা এবং ফিঙ্গারিং করা যায়।
প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া। পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে প্রথম যে ধাপ তা হচ্ছে সরকার নির্ধারিত ফি সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া। এটি আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিয়ে আসতে হবে। কারণ অনলাইনে আবেদন ফর্মে ঐ ব্যাংকের রিসিট নম্বর এবং জমার তারিখ সংযুক্ত করতে হয়। বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিস কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকের শাঁখাতে আপনি পাসপোর্টের ফি জমা দিতে পারবেন। সোনালী ব্যাংকের পাশাপাশি আরও ৫টি ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারবেন।

১) ওয়ান ব্যাংক
২) ট্রাস্ট ব্যাংক
৩) ব্যাংক এশিয়া
৪) প্রিমিয়ার ব্যাংক

রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা [৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা] ( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট ( Bangladeshi Passport) পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা [ ৬০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৬৯০০.০০ টাকা] ( ১0 দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) ।
সরকারি আদেশ (GO) এর ভিত্তিতে চিকিৎসা, হজ্জ্ব পালন, তীর্থস্থান ভ্রমণের ক্ষেত্রে (জরুরি সুবিধাসহ) ৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা
সরকারি আদেশ (GO) এর ভিত্তিতে সরকারি কাজের ক্ষেত্রে (জরুরি সুবিধাসহ) বিনামূল্যে
রি-ইস্যু জরুরি ফিস (৭ দিন) (NOC/GO ব্যতীত) ৬০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৬৯০০.০০ টাকা
সাধারণ ফিস (২১ দিন) ৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা
মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফিস (মেয়াদ পরবর্তি প্রতি বছরের জন্য) সাধারণ ফিস ৩০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫.০০ টাকা

Note: প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বারউল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।
দ্বিতীয় ধাপ: অনলাইনে ফর্ম পূরণ
পাসপোর্ট করতে হলে আপনাকে আগে পাসপোর্ট ফরম পূরণ করতে হবে। তাই আপনাকে bangladesh machine readable passport online application এই সাইটে যেতে হবে। http://www.passport.gov.bd/Reports/MRP_Application_Form[Hard%20Copy].pdf
পাসপোর্ট আবেদন ফর্ম প্রতিটি ঘরে সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে। আপনার নামের বানান, পিতা-মাতার নামের বানান সব কিছু আপনার শিক্ষা সনদের সাথে মিল রেখে দিবেন । স্থায়ী ঠিকানা বর্তমান ঠিকানার ঘর যত্ন সহকারে পূরণ করুণ। আপনার ইমেইল আইডি এবং ফোন নাম্বারের ঘরে ঠিক ভাবে তথ্য দিন। সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিটকরুন।
Note: অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । সেটা সংরক্ষণ করুন।
এমআরপি(MRP) আবেদন ফরম পূরণের নিয়মাবলী আবেদনের সঙ্গে যে সমস্ত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে-
– চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কমিশনার প্রদত্ত সনদ/ ভোটার আইডি কার্ড/ জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা বিদ্যুৎ, গ্যাস/ পানির বিল/ বাড়ির দলিলের ফটোকপি ইত্যাদি।
– ছাত্র/ছাত্রীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত প্রত্যয়ন পত্র/ পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।
পাসপোর্ট করার সময় লক্ষ্যণীয়।

Source: http://www.passport.gov.bd/
-->

সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

ফোনে কল আসলেই ইন্টারনেট বন্ধ? সহজ সমাধান জানুন এখনই!



আমরা অনেকেই এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হই—গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও কল, অনলাইন মিটিং বা ফাইল ট্রান্সফারের সময় হঠাৎ ফোনে কল এলে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষ করে যারা মোবাইল ডেটার ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এটি খুবই বিরক্তিকর একটি অভিজ্ঞতা।


তবে একটু সচেতন হলে সহজেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। আপনার ফোনে থাকা VoLTE (Voice over LTE) ফিচারটি চালু করলেই ফোনে কল আসার সময়ও ইন্টারনেট সংযোগ সচল থাকবে। কিন্তু অনেকেই জানেন না কীভাবে এই ফিচারটি চালু করতে হয়।


কিভাবে VoLTE ফিচার চালু করবেন (Samsung বা OnePlus ফোনে):

১. ফোনের Settings মেনুতে প্রবেশ করুন

২. এরপর Connections অপশনে ক্লিক করুন

৩. Mobile Networks অপশনে যান

৪. সেখানে VoLTE Calls নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন

৫. যদি আপনার ফোনে দুইটি সিম থাকে, তাহলে উভয় সিমের জন্য আলাদাভাবে এই অপশন চালু করতে হবে


VoLTE চালু করার পর আপনি মোবাইল ডেটা চালু রেখেই কল করতে বা রিসিভ করতে পারবেন, এবং একইসাথে ফেসবুক, ইউটিউব বা গুগল ব্যবহারও স্বাভাবিকভাবে চলবে।


OnePlus ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ টিপস:

কিছু OnePlus ডিভাইসে সরাসরি VoLTE অপশন দৃশ্যমান না-ও হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার ব্যবহৃত মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করে VoLTE সার্ভিস সক্রিয় করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি Airtel সিম ব্যবহার করেন, তাহলে Airtel কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে VoLTE চালু করে নিতে পারেন।


Airtel-এর তরফ থেকে একটি এসএমএসে সাধারণত উল্লেখ থাকে:


“VoLTE সেবা ব্যবহারের জন্য আপনার মোবাইলে ৪জি সিম এবং VoLTE সাপোর্টেড হ্যান্ডসেট থাকতে হবে। একইসাথে ফোনের Mobile Network Settings থেকে VoLTE চালু করতে হবে।”


কেন VoLTE ফিচার চালু করবেন?

কলের সময় ইন্টারনেট বন্ধ হবে না


গুরুত্বপূর্ণ মিটিং বা ভিডিও কলে ব্যাঘাত ঘটবে না


মোবাইল ডেটা ও ভয়েস কল একসাথে ব্যবহার করা সম্ভব


অনলাইনভিত্তিক কাজের গতি বজায় থাকবে


তাই আর দেরি না করে এখনই আপনার মোবাইলের সেটিংসে ঢুকে VoLTE ফিচারটি চালু করে নিন—আর অপ্রত্যাশিত ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতার ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকুন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন